খুঁজুন
শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১ ফাল্গুন, ১৪৩২

কোনো ষড়যন্ত্র বিএনপিকে রুখতে পারবে না: বড়লেখায় জিকে গউছ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
কোনো ষড়যন্ত্র বিএনপিকে রুখতে পারবে না: বড়লেখায় জিকে গউছ

কোনো ষড়যন্ত্র বিএনপিকে রুখতে পারবে না: বড়লেখায় জিকে গউছ

হানিফ পারভেজ
বড়লেখা,মৌলভীবাজার

বিএনপির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে গউছ বলেছেন,বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে হলে জনগণের ভালোবাসা লাগবে। জনগণের ভোট ছাড়া এমপি হওয়া যাবে না, জনগণের প্রতিনিধি হওয়া যাবে না। একজন পাঁচজনের ভোট দেবেন, মৃত মানুষের ভোট, বিদেশে থাকা মানুষের ভোট দেবেন-এই দিন বাংলাদেশে আর ফিরে আসবে না। আমাদের মানুষ রক্ত দিয়ে ন্যায়ের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে দেয়াল সৃষ্টি করেছে, সেই দেয়াল আর কোনো স্বৈরাচার কোনোদিন ভাঙতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।

শনিবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পার্শ্ববর্তী দেশকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের সাথে যদি বন্ধুত্ব রাখতে চান, এই খুনিদের পুনর্বাসন করে সেটা কোনো বন্ধুত্বের লক্ষণ হতে পারে না। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যাদের বিচার শুরু হয়েছে, যদি তারা দোষী সাব্যস্ত হন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তাদের আদালতে হস্তান্তর করতে হবে।

তিনি বলেন, অন্যায়-দুর্নীতি, মানুষকে কষ্ট দেওয়া আর বিএনপির রাজনীতি একসাথে চলতে পারে না। যারা খারাপ মানুষ, তারা বিএনপি করতে পারে না। যারা দুষ্ট মানুষ, তারাও বিএনপি করতে পারবে না।

জিকে গউছ বলেন, যারা এই নির্বাচনকে বানচালের চেষ্টা করছেন, তাদের অনুরোধ করব আয়নায় নিজের চেহারা দেখুন। বেগম খালেদা জিয়া ঘোষণা দিয়েছিলেন-এরশাদের অধীনে যারা নির্বাচনে যাবেন, তারা জাতীয় বেঈমান হিসেবে চিহ্নিত হবেন। সেই দিন এরশাদের সমস্ত কুকর্মকে যারা বৈধতা দিয়েছিলেন, তারা এখন বলেন বাংলাদেশে নাকি নির্বাচন হবে না! যে জাতি গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে, যে জাতি নিজের অধিকারের জন্য বুক পেতে দিয়েছে-সেই জাতিকে কেউ কোনোদিন রুখতে পারেনি। দেশি-বিদেশি কোনো ষড়যন্ত্র সেই জাতিকে কোনোদিন রুখতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ। দেশের মানুষের ভালোবাসা যদি বিএনপির সাথে থাকে, কোনো ষড়যন্ত্র বিএনপিকে রুখতে পারবে না। বিএনপি সারা বাংলাদেশের মানুষের মণিকোঠায়। বিএনপি যা বিশ্বাস করে তাই মুখে প্রকাশ করে। এই দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক-তার জন্য বিএনপি নিরলসভাবে কাজ করছে। শুধু রাষ্ট্রে নয়, দলের ভেতরেও গণতন্ত্রের চর্চা করছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী। সভাপতিত্ব করেন বড়লেখা পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মীর মখলিছুর রহমান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি এম নাসের রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ুন ও সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, আব্দুল মুকিত, বকসি মিছবাহউর রহমান, নাসির উদ্দিন মিঠু, মোশাররফ হোসেন বাদশা, কাতার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হক সাজু, বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজ, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব মোহাচ্ছান বাদল, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস শহিদ খান প্রমুখ।

মৌলভীবাজার -১ আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী লড়াই প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের দুয়ারে প্রার্থীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
মৌলভীবাজার -১ আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী লড়াই প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের দুয়ারে প্রার্থীরা

মৌলভীবাজার -১ আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী লড়াই প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের দুয়ারে প্রার্থীরা

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মৌলভীবাজার -১ (বড়লেখা–জুড়ি) সংসদীয় আসনে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। দুই উপজেলা জুড়ে এখন মাইকিং, মিছিল, পথসভা, গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকের ব্যস্ততা। দিনভর ও গভীর রাত পর্যন্ত প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

উপজেলা সদর থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও বাজারগুলো প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে। ভোটারদের মাঝেও বাড়ছে আগ্রহ ও কৌতূহল। গ্রাম থেকে শহর—সবখানেই বিরাজ করছে নির্বাচনী ব্যস্ততা।

প্রার্থীরা ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে এলাকার সমস্যা, প্রত্যাশা ও অভিযোগ শুনছেন। পাশাপাশি উন্নয়ন পরিকল্পনা, ভবিষ্যৎ রূপরেখা ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে ভোট প্রার্থনা করছেন। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে প্রচারণার তীব্রতা।

এ আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নাসির উদ্দীন আহমদ মিঠু, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আহমদ রিয়াজ,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী মাও লানা আমিনুল ইসলাম,স্বতন্ত্র প্রাথী মুফতি বেলাল আহমদ এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী আব্দুর নূর।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন তৎপর রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

বড়লেখায় ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের জনশক্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
বড়লেখায় ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের জনশক্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বড়লেখায় ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের জনশক্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) সংসদীয় আসনে মাওলানা আমিনুল ইসলামের সমর্থনে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের জনশক্তি সমাবেশ অনুষ্টিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম বড়লেখায় ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের উদ্যোগে এ জনশক্তি সমাবেশ অনুষ্টিত হয়।

অয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের উপজেলার আহবায়ক ও খেলাফত মজলিশ উপজেলা সভাপতি কাজী এনামুল হক।

অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামির উপজেলা নায়াবে আমীর আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ সুমন ও খেলাফত মজলিসের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমদ স্বপনের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামির জেলা নায়াবে আমীর ও মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) সংসদীয় আসনের নির্বাচন পরিচালক মাওলানা আব্দুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা নায়াবে আমীর ও ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের সদস্য সচিব ফয়সাল আহমদ, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক উপজেলা আমীর এমাদুল ইসলাম, খেলাফত মজলিশের উপজেলা সহ সভাপতি লুৎফুর রহমান, ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় এইচ আর ডি সম্পাদক শরীফ মাহমুদ, জামায়াতে ইসলামি উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল বাছিত, এনসিপির সাবেক জেলা আহবায়ক ও জোটের যুগ্ন আহবায়ক তামিম আহমদ, খেলাফত মজলিশের উপজেলা সহ সাধারণ সম্পাদক মো:খাইরুল ইসলাম, ছাত্রশিবির মোলভীবাজার শহর শাখার সভাপতি তারেক আজিজ, ছাত্রশিবির সাবেক উপজেলা সভাপতি খিজির আহমদ, সমাজসেবক সাইদুল ইসলাম।

অন্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামি সদর ইউনিয়ন সভাপতি রবিউল ইসলাম সুহেল, খেলাফত মজলিশ আরব আমিরাত শাখার সহ সভাপতি আলহাজ্ব শামীম আহমদ, ছাত্রশিবির জেলা সেক্রেটারি মহসিন আহমদ, যুবশক্তি (এনসিপি’র) জেলা যুগ্ন আহবায়ক, ইসলামি যুব মজলিশ উপজেলা সভাপতি মাও আবুল হাসান হাদী, খেলাফত মজলিশ তালিমপুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, ছাত্রশিবিরের উপজেলা সভাপতি আব্দুর রহমান এবাদ প্রমুখ।

জনশক্তি সমাবেশ শেষে পৌরশহরে মাওলানা আমিনুল ইসলামের সমর্থনে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রচার মিছিলটি নির্বাচনী প্রধান কার্যালয় থেকে শুরু করে পৌরশহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জামায়াত ইসলামির উপজেলা কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। এতে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ গ্রহণ করেন।

চা-শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন ঘিরে সংকট, শ্রীমঙ্গলে বিক্ষোভ মিছিল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
চা-শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন ঘিরে সংকট, শ্রীমঙ্গলে বিক্ষোভ মিছিল

চা-শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন ঘিরে সংকট, শ্রীমঙ্গলে বিক্ষোভ মিছিল

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার): প্রতিনি‌ধি

বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন বানচালের চেষ্টার প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলীপি প্রদান করেছেন চা-শ্রমিকরা।
মঙ্গলবার সকালে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভাড়াউড়া চা বাগান থেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক চা-শ্রমিক একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভানুগাছ সড়কস্থ শ্রীমঙ্গল বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
পরে শ্রম দপ্তরের উপ-পরিচালক মহব্বত হোসেনের মাধ্যমে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলীপি প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছেও পৃথক স্মারকলীপি জমা দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা বলেন, নিয়মতান্ত্রিক ও সময়মতো নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। কিন্তু একটি পক্ষ নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়ে চা শিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শ্রীমঙ্গল বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের উপ-পরিচালক মহব্বত হোসেন জানান, চা-শ্রমিকদের দেওয়া স্মারকলীপি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে এবং তাদের দাবির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।