খুঁজুন
শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১ ফাল্গুন, ১৪৩২

সাংবাদিক নির্যাতন: কুড়িগ্রামে সাবেক জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন কারাগারে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক নির্যাতন: কুড়িগ্রামে সাবেক জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন কারাগারে

সাংবাদিক নির্যাতন: কুড়িগ্রামে সাবেক জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন কারাগারে

সেপ্টেম্বর ২, ২০২৫: সাংবাদিক নির্যাতন মামলায় কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন মঙ্গলবার দুপুরে জেলা দায়রা জজ আদালতে হাজিরা দিতে আসেন। এ সময় আদালত তার জামিন মঞ্জুর না করে কারাগারে পাঠায়।

মঙ্গলবার বিকেলে কুড়িগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছাম্মৎ ইসমত আরা বেগম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

১৯ এপ্রিল ২০২০: কুড়িগ্রামের সাবেক ডিসিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোছা. সুলতানা পারভীনসহ জেলা প্রশাসনের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, এ জন্য ১০ দিনের মধ্যে জবাব দিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ১৫ ও ১৬ মার্চ ওই চার কর্মকর্তাকে কুড়িগ্রাম থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। সুলতানা পারভীন ছাড়া বাকি কর্মকর্তারা হলেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের সাবেক সিনিয়র সহকারী কমিশনার (আরডিসি) নাজিম উদ্দিন, সহকারী কমিশনার রিন্টু বিকাশ চাকমা ও এস এম রাহাতুল ইসলাম।

২৭ নভেম্বর ২০২১: কুড়িগ্রামের সাবেক ডিসিকে শাস্তি থেকে অব্যাহতি

মধ্যরাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে সাংবাদিককে সাজা দেওয়া ও ‘নির্যাতনের’ ঘটনায় শাস্তি পাওয়া কুড়িগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীনকে অভিযোগের দায় থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। এর ভিত্তিতে ২৩ নভেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

কুড়িগ্রামে বাংলা ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলামকে বাড়ি থেকে ধরে এনে সাজা দেওয়ার ঘটনায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীনকে দুই বছর বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করে লঘু দণ্ডের শাস্তি দিয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। লঘু দণ্ডের শাস্তি বাতিল করে অভিযোগের দায় থেকেও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ শাস্তির আদেশ দেওয়া হয়েছিল গত ১০ আগস্টে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে। সেই প্রজ্ঞাপন বাতিল করে গত ২৩ নভেম্বর আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সেই প্রজ্ঞাপনে সুলতানা পারভীনের শাস্তি বাতিলের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

গত বছরের ১৩ মার্চ মধ্যরাতে কুড়িগ্রামের বাংলা ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলামকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মাদক মামলায় সাজা দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে অবশ্য জামিনে মুক্ত হন তিনি। তাঁকে নৃশংসভাবে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করেন আরিফুল ইসলাম।

তার অভিযোগ, জেলা প্রশাসনের আরডিসি (সিনিয়র সহকারী কমিশনার) নাজিম উদ্দিন বাড়িতে ঢুকে তাকে পেটান। আর এনকাউন্টারে দেওয়ারও হুমকি দেন। জেলা প্রশাসকের অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন লেখার কারণেই তার ওপর নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ করেন আরিফুল।

এ ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছিল। কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তখন দাবি করা হয়েছিল, ‘মাদকবিরোধী অভিযানে’ আরিফুলের কাছ থেকে আধা বোতল মদ ও ১৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনার পরপরই কুড়িগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) নাজিম উদ্দিন এবং দুই সহকারী কমিশনার রিন্টু বিকাশ চাকমা ও এস এম রাহাতুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার ভিত্তিতে শাস্তি দেওয়া হয়।

মৌলভীবাজার -১ আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী লড়াই প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের দুয়ারে প্রার্থীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
মৌলভীবাজার -১ আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী লড়াই প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের দুয়ারে প্রার্থীরা

মৌলভীবাজার -১ আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী লড়াই প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের দুয়ারে প্রার্থীরা

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মৌলভীবাজার -১ (বড়লেখা–জুড়ি) সংসদীয় আসনে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। দুই উপজেলা জুড়ে এখন মাইকিং, মিছিল, পথসভা, গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকের ব্যস্ততা। দিনভর ও গভীর রাত পর্যন্ত প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

উপজেলা সদর থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও বাজারগুলো প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে। ভোটারদের মাঝেও বাড়ছে আগ্রহ ও কৌতূহল। গ্রাম থেকে শহর—সবখানেই বিরাজ করছে নির্বাচনী ব্যস্ততা।

প্রার্থীরা ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে এলাকার সমস্যা, প্রত্যাশা ও অভিযোগ শুনছেন। পাশাপাশি উন্নয়ন পরিকল্পনা, ভবিষ্যৎ রূপরেখা ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে ভোট প্রার্থনা করছেন। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে প্রচারণার তীব্রতা।

এ আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নাসির উদ্দীন আহমদ মিঠু, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আহমদ রিয়াজ,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী মাও লানা আমিনুল ইসলাম,স্বতন্ত্র প্রাথী মুফতি বেলাল আহমদ এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী আব্দুর নূর।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন তৎপর রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

বড়লেখায় ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের জনশক্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
বড়লেখায় ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের জনশক্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বড়লেখায় ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের জনশক্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) সংসদীয় আসনে মাওলানা আমিনুল ইসলামের সমর্থনে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের জনশক্তি সমাবেশ অনুষ্টিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম বড়লেখায় ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের উদ্যোগে এ জনশক্তি সমাবেশ অনুষ্টিত হয়।

অয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের উপজেলার আহবায়ক ও খেলাফত মজলিশ উপজেলা সভাপতি কাজী এনামুল হক।

অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামির উপজেলা নায়াবে আমীর আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ সুমন ও খেলাফত মজলিসের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমদ স্বপনের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামির জেলা নায়াবে আমীর ও মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) সংসদীয় আসনের নির্বাচন পরিচালক মাওলানা আব্দুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা নায়াবে আমীর ও ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের সদস্য সচিব ফয়সাল আহমদ, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক উপজেলা আমীর এমাদুল ইসলাম, খেলাফত মজলিশের উপজেলা সহ সভাপতি লুৎফুর রহমান, ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় এইচ আর ডি সম্পাদক শরীফ মাহমুদ, জামায়াতে ইসলামি উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল বাছিত, এনসিপির সাবেক জেলা আহবায়ক ও জোটের যুগ্ন আহবায়ক তামিম আহমদ, খেলাফত মজলিশের উপজেলা সহ সাধারণ সম্পাদক মো:খাইরুল ইসলাম, ছাত্রশিবির মোলভীবাজার শহর শাখার সভাপতি তারেক আজিজ, ছাত্রশিবির সাবেক উপজেলা সভাপতি খিজির আহমদ, সমাজসেবক সাইদুল ইসলাম।

অন্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামি সদর ইউনিয়ন সভাপতি রবিউল ইসলাম সুহেল, খেলাফত মজলিশ আরব আমিরাত শাখার সহ সভাপতি আলহাজ্ব শামীম আহমদ, ছাত্রশিবির জেলা সেক্রেটারি মহসিন আহমদ, যুবশক্তি (এনসিপি’র) জেলা যুগ্ন আহবায়ক, ইসলামি যুব মজলিশ উপজেলা সভাপতি মাও আবুল হাসান হাদী, খেলাফত মজলিশ তালিমপুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, ছাত্রশিবিরের উপজেলা সভাপতি আব্দুর রহমান এবাদ প্রমুখ।

জনশক্তি সমাবেশ শেষে পৌরশহরে মাওলানা আমিনুল ইসলামের সমর্থনে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রচার মিছিলটি নির্বাচনী প্রধান কার্যালয় থেকে শুরু করে পৌরশহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জামায়াত ইসলামির উপজেলা কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। এতে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ গ্রহণ করেন।

চা-শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন ঘিরে সংকট, শ্রীমঙ্গলে বিক্ষোভ মিছিল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
চা-শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন ঘিরে সংকট, শ্রীমঙ্গলে বিক্ষোভ মিছিল

চা-শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন ঘিরে সংকট, শ্রীমঙ্গলে বিক্ষোভ মিছিল

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার): প্রতিনি‌ধি

বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন বানচালের চেষ্টার প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলীপি প্রদান করেছেন চা-শ্রমিকরা।
মঙ্গলবার সকালে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভাড়াউড়া চা বাগান থেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক চা-শ্রমিক একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভানুগাছ সড়কস্থ শ্রীমঙ্গল বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
পরে শ্রম দপ্তরের উপ-পরিচালক মহব্বত হোসেনের মাধ্যমে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলীপি প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছেও পৃথক স্মারকলীপি জমা দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা বলেন, নিয়মতান্ত্রিক ও সময়মতো নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। কিন্তু একটি পক্ষ নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়ে চা শিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শ্রীমঙ্গল বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের উপ-পরিচালক মহব্বত হোসেন জানান, চা-শ্রমিকদের দেওয়া স্মারকলীপি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে এবং তাদের দাবির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।